এডমিশন প্রস্তুতি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি টিপস

এডমিশন প্রস্তুতি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি টিপস

 হ্যালো স্টুডেন্টস বন্ধুরা, তোমাদের এডমিশন প্রস্তুতি কেমন চলছে? তো, তোমাদের জন্য আজকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি টিপস নিয়ে হাজির হলাম।

এডমিশন তথা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি


এডমিশন তথা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও প্রস্তুতি ও ভর্তি টিপস

আমি হলে এখন যা করতামঃ-

  • ১.সব বিশ্ববিদ্যালয়ের গতবছরের সার্কুলার বিশ্লেষণ করতাম। কোথায় কোথায় পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব তা লিস্ট করতাম।
  • ২. আমার টার্গেট ইউনিট এ কোন কোন বিষয় পড়তে হবে তার একটা খসড়া করতাম।
  • ৩. নিজে সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে বড় ভাইয়া আপুদের সাথে কথা বলতাম
  • ৪. তারপর গত ৫বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখতাম কোন কোন অধ্যায় বা টপিকস থেকে প্রশ্ন প্রতিবছর রিপিট হয়।সে অধ্যায়গুলো একদম ঝালাই করে পেলতাম।
  • ৫. যদি আমার ইংরেজি/ফিজিক্স/কেমিস্ট্রি/ম্যাথ এ A+ মিস হতো তাহলে ইন্জিনিয়ারিং প্রিপারেশন না নিয়ে ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুতি নিতাম। অর্থাৎ ইন্জিনিয়ারিং এর জন্য যেমন পুরো গণিত বই আগাগোড়া সলভ করতে হয় তেমনটা না করে গোছানো সিলেক্টিভ পড়তাম।
  • ৬. যদি আমার জিপিএ ৪.৯ এর নিচে থাকতো তাহলে মেডিকেল এ প্রস্তুতি না নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতাম। ৪.৯ এর কম পেয়েও চান্স পাওয়া সম্ভব। কিন্তু একটু বেশি পরিশ্রম করতে হবে। আমি কাউকে ডিমোটিভেট করতেছি না। জাস্ট fact শেয়ার করতেছি। 
  • ৭. আমি যদি মেডিকেল প্রস্তুতি নিতাম তাহলে ঢাবিতে কেমিস্ট্রি এবং বায়োলজি টার্গেট করতাম। এই দুই বিষয় এমনভাবে পড়তাম যেন ৪০নম্বরের মধ্য ৩৫+ রাখতে পারি। আর পদার্থবিজ্ঞান যেহেতু পড়তেছি, থিওরির পাশাপাশি একটু কনসেপ্ট ক্লিয়ার এ ফোকাস রাখতাম। পদার্থবিজ্ঞান ১২-১৫ নম্বর টার্গেট রাখতাম। গণিত শুধুমাত্র ঢাবি-সাস্ট-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিগত বছরের প্রশ্ন অন্তত ৩-৫বার সলভ করতাম। টার্গেট গণিতে ১০-১২ রাখতাম। অর্থাৎ ৬০+ টোটাল ৮০ এর মধ্যে। 
  • ৮. যদি আমি ইন্জিনিয়ারিং প্রিপারেশন নিতাম তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বায়োলজি খুব ভালো পড়ায় এমন কারও থেকে একটা সাজেশন নিতাম কিংবা প্রতিদিন মেইন পড়াশোনার পাশাপাশি ১-২ঘন্টা সময় দিতাম। চেষ্টা করতাম বইয়ের অন্তত ৭০% যেন আমার আয়ত্তে থাকে।আগে অবশ্যই মেইন অধ্যায়গুলো দেখতাম।
  • ৯. যদি আমার মূল টার্গেটই হতো ঢাবি তাহলে প্রতিটি বিষয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের আগে বেসিক কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতাম। অর্থাৎ ফিজিক্সের ২১ টা অধ্যায় এ কি আছে না আছে সেটা ক্লিয়ার কাট আইডিয়া লাগবে। রসায়নে প্রথম পত্র ১, ৫ এবং ২য় পত্র ৫ বাদ দিয়ে বাকি ৭টা অধ্যায় বস হতাম। গণিত ২০টা অধ্যায়ের ঢাবির বিগত ৮ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করতাম। ২-১ টা প্রশ্ন মাথার উপর দিয়ে যাবে ঠিক কিন্তু বাকিগুলো একই ধারায় এসে যাবে। 
  • ১০. আমার যদি জিপিএ আশানুরূপ না হয় অর্থাৎ সায়েন্স পরীক্ষা দেওয়ার মতো না কিংবা দিয়ে ভালো করব না। কারণ আমি গত ৭-৮মাস পড়িনাই তেমন তাহলে বিভাগ পরিবর্তনের পরীক্ষা দিতাম। একজন ভালো শিক্ষকের গাইডলাইন ফলো করতাম সেক্ষেত্রে। 

 আমার নিজের ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পজিশন ছিলঃ A1 Unit 14th, A2 unit 35th, C3 unit 13th(BBA), G(Engineering)  unit 25th (যেখানে প্রতিটি সিটের বিপরীতে ১৩৭জন পরীক্ষা দিয়েছিল)! আর একটা মনে নাই F1(২৮৯/২৯০)!

©শিমুল শাহরিয়ার(আমার বড় ভাই)

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি টিপস

তোমার এডমিশন প্রস্তুতি জানাতে পার এবং ছোট ভাই বোনদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি টিপস নিয়ে লিখতে পার, তাদের গাইড দিতে পার।

Previous Post
Next Post

post written by:

0 Comments: