হে....বোন। বিয়ের পূর্বে অবশ্যই দেখে নাও, তুমি কাকে বিয়ে করতে যাচ্ছো?

হে....বোন। বিয়ের পূর্বে অবশ্যই দেখে নাও, তুমি কাকে বিয়ে করতে যাচ্ছো?

2

#দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন ৭ টি গুণ বা বৈশিষ্ট্য ইহুদি মেয়েদের মধ্যে আছে আর এই সাতটি গুন যদি কোন মুসলিম মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে তাদের হাশর হবে ঐ সকল ইহুদি মেয়েদের সাথে। সেই সাতটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য হলো...

১. #আন্নানা- এর অর্থ হলো বেশি বেশি চাই জিনিসপত্র অনেক আছে তবুও তবুও অনেক চাই স্বামীকে বলে শুধু আমার জন্য দাও ।নিজের মা-বাবা ভাই-বোন এদের জন্য কোন কিছু দিও না,

২. #মান্নানা- এর অর্থ হল স্বামীকে শুধু সব সময় সকল ক্ষেত্রে খোটা দেয় অর্থাৎ খোটা দেওয়া এই স্বভাব ইহুদী মেয়েদের,

৩. #হান্নানা- হান্নান এর অর্থ হচ্ছে স্বামীর খেদমত না করা ,উল্টো আরো স্বামীকে দিয়ে খেদমত করিয়ে নেয়া। হযরত খাদিজাতুল কুবরা আল্লাহর নিকট থেকে সালাম পাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল স্বামীর খেদমত করা।

৪.#কান্নানা- স্বামীকে মাঝে মাঝে বলে তুমি আমারে চেনো ? আমি অমুকের মেয়ে, তমুকের মেয়ে, চেয়ারম্যানের মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি ।স্বামীর সামনে নিজেকে বড় করে দেখানো, স্বামীকে ছোট মনে করা এটা ইহুদি মেয়েদের গুণ।

৫. #হাত্তকা্হ- হাত্তকাহ শব্দের অর্থ স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া । স্বামী যদি দুই টাকার জিনিস ও আপনাকে দেয় তবে তা আপনাকে আলহামদুলিল্লাহ ভালো গ্রহণ করতে হবে.। পরে মন ভালো হলে আরেকটা জিনিস আবদার করে নিয়ে নিবেন, স্বামীর মনে দুঃখ দেওয়া যাবে না।

৬. #শাত্তকা্হ- এর অর্থ হচ্ছে স্বামীকে হারাম ইনকাম করতে বাধ্য করা। স্বামীর হালাল ইনকামে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। যদি আপনার কারণে আপনার স্বামী হারাম ইনকাম করে তাহলে স্বামীর সাথে আপনাকেও জাহান্নামে যেতে হবে।

৭.#বার্রকা্হ- এ অর্থ স্বামীকে মাঝে মাঝে ধরে মারা। অর্থাৎ স্বামীর গায়ে হাত তোলা এটা ইহুদি মেয়েদের স্বভাব।

#উপরোক্ত এই সাতটি গুন যেই মেয়েদের মধ্যে থাকবে তারা নামায, রোযা এবং পর্দা করলেও তাদের হাশর কিন্তু হবে ইহুদি মেয়েদের সাথে। আল্লাহ আমাদের মুসলিম মেয়েদের হাদীসটি আমল করার তৌফিক দান করুক।

আমিন....

-ইমাম গাজ্জালী( রহঃ)


হে............বোন...... আমার....!


বিয়ের পূর্বে অবশ্যই দেখে নাও, তুমি কাকে বিয়ে করতে যাচ্ছো?


বেনামাযী, ফাসিক্ব, দাঁড়ি কামানো, দুনিয়ালোভী এমন কোনো পুরুষকে তুমি  কখনোই বিয়ে করো না!


একবার বাজে লোকের পাল্লায় পড়লে ডিভোর্স দিয়েও সারা জীবনেও হয়তোবা সেই দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে পারবে না। অন্তত নামাযী, হালাল উপার্জন করে, সুন্নতের অনুসারী এমন সৎ ও দ্বীনদার কাউকে বিয়ে করো, যদিও সে  সম্পদশালী না হয়। আশা করা যায় ভালো ব্যবহার পাবে। আর বিশেষ করে গার্জিয়ানদের জন্যে মোটেও উচিৎ নয়, একটা বদমাইশ, দুশ্চরিত্র ছেলের সাথে শুধুমাত্র টাকার লোভে তার আদরের মেয়েটাকে বিয়ে দিয়ে দেয়া।


একটি বার ভেবে দেখো! তুমি যেই ছেলেকে বিয়ে করতে যাচ্ছো; সে যত বড়ই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোক না কেন সে যদি না জানে প্রস্রাব করে কীভাবে পবিত্র হতে হয়, সে একজন স্ত্রী হিসেবে তোমার হক্ব আদায় করবে কি করে? 

যেই ছেলে দাঁড়ি কামীয়ে নিজের পুরুষত্বকে বিসর্জন দিয়েছে, সে একজন স্ত্রী হিসেবে তোমার জৈবিক চাহিদা মিটাবে কি করে?


যেই ছেলে বিড়ি-সিগারেট খেয়ে তার মুখ পায়খানা সমতুল্য দুর্গন্ধে পরিণত করেছে, সে একজন স্ত্রী হিসেবে তোমার সঙ্গে মিষ্টি কথা বলবে কি করে? যেই ছেলে রাস্তায় বের হলে কোন মেয়ের দিকেই কুদৃষ্টি না দিয়ে থাকতে পারে না, সেই দুশ্চরিত্র, কাপুরুষ  একজন স্ত্রী হিসেবে তোমার ভালোবাসার অধিকার আদায় করবে কি করে....??


 আরও বলি! যেই ছেলের হালাল-হারাম সম্পর্কে কোন জ্ঞানই নাই, সে আসলে  শিক্ষিত নামের মূর্খ।

 একজন স্ত্রী হিসেবে সে তোমাকে জান্নাতে যাওয়ার পথে সহযোগিতা করবে কি করে? যেই ছেলে সুদী ব্যাংকে চাকরি করে আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, সেই অভিশপ্ত সুদখোর একজন স্ত্রী হিসেবে তোমাকে নিরাপত্তা দেবে কি করে...?


হায় আফসোস!

সমাজের মা-বাবারা কি এসব বোঝে না......???


 বোন আমার! সুতরাং বিয়ের আগে অবশ্যই দেখে নাও তুমি কেমন ছেলে বিয়ে করতে যাচ্ছো...?


 প্রিয় বোন! তোমার জন্য রাসূল (সা:) একটি নির্দেশনা।  


 রাসূল (সঃ) বলেছেন,

 “তোমাদের মেয়ের জন্য যদি এমন কোনো ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারি এবং চরিত্র ভালো, তাহলে তার কাছেই তোমাদের কন্যাকে বিবাহ দেও। যদি তা না করো, তাহলে সমাজে অনেক ফিতনা ফাসাদ এবং বিপর্যয় সৃষ্টি হবে”।

   [তিরমিজি ১০৮৫]

বোন আমার!এই হাদিসের বাস্তবতা সমাজের দিকে তাকাইলে তুমি দেখতে পাবে।

সুতরাং সতর্ক থেকো!

©collected

ইয়া আল্লাহ! আপনি ত 


আস সামী(সর্বশ্রোতা)السَّمِيعُ

আল-কারীম (উদার, অকৃপণ)الْكَرِيمُ

আল-ওয়ালিই(শুভাকাঙ্ক্ষী)الْوَلِيُّ

আল-ওয়ারিস(সবকিছুর উত্তরাধিকারী)الْوَارِثُ

আল-হ়ামীদ (সকল প্রশংসার দাবীদার) الْحَمِيدُ

আল-মুজীব(দোয়া কবুলকারী)الْمُجِيبُ

আল খালিক্ব(সৃষ্টি কারী)الْخَالِقُ


আমি জানিনা,কাকে আমার জন্য সৃষ্টি করেছেন।আমি এটাও জানিনা,সে এখন কোথায় আছে কেমন আছে।তবে বলি সে যেখানেই থাকুক

তাকে ভালো রাইখেন সুস্থ রাইখেন এবং সমস্থ ফেতনা থেকে হেফাজতে রাইখেন আর খুব শীঘ্রই  সাক্ষাৎ করিয়ে দিন আমার প্রিয়তমার সাথে।

ইয়া আল্লাহ আপনি কবুল করুণ।

ইয়া আল্লাহ আপনি আমার সঙ্গীর আমল গুলো সহীহ করে দিন।

তার ইবাদতের স্পৃহা বাড়িয়ে দিন।

তার ঈমান দৃঢ় করে দিন।

তাকে আমার জান্নাতের সঙ্গী হিসেবে কবুল করুন।

তাকে আমার দুনিয়ার সম্পদে পরিণত করে দিন।

আপনার বান্দী আমার দ্বীনের অংশ বানিয়ে দিন।

আমাকে তার হক গুলো সঠিক ভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন।

আমীন ইয়া মুজীব(ْمُجِيبُ)

-----


বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?

এক মহিলা ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করে,

- ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ, রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম কিন্তু এখন আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না।

ইমাম আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন,

” হে আমার মুসলিম বোন,তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তার কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী? ”

মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বললো,

- শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত আর আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে বলছেন?

শাইখ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

” আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ, আল্লাহর আনুগত্যে, ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না। ”

কেননা রাসূল ﷺ বলেছেন, 

কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যখন পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবে না।

[ সহীহ আত তারগীবঃ ১৯৩৯ ]

-----


দ্বীনি বোনের জন্য ১৫ টি গুরুত্বপূর্ন হাদিস।

.

১.দেবর মৃত্যু সমতুল্য। (মৃত্যু থেকে মানুষ যেভাবে পলায়ন বা সতর্কতা অবলম্বন করে এক্ষেত্রে তাই করতে হবে) (বুখারী শরীফ ৫২৩২, মুসলিম শরীফ ২১৭২, তিরমিযী শরীফ ১১৭১)

.

২.কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত হলে নিঃসন্দেহে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান। (তিরমিযী শরীফ ১১৭১)

৩.তোমরা সেই মহিলাদের নিকট গমন করো না যাদের স্বামীরা বিদেশে আছে। কারণ, শয়তান তোমাদের রক্ত শিরায় প্রবাহিত হয়। (তিরমিযী শরীফ ১১৭২)

.

৪.কোন অবৈধ নারীকে স্পর্শ করার চেয়ে মাথায় লোহার পেরেক পুঁতে যাওয়া ভালো। (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ২২৬)

৫.রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী যাদেরকে আমি দেখিনি। তারা ভবিষ্যতে আসবে। প্রথম শ্রেণী হবে একদল অত্যাচারী, যাদের সঙ্গে থাকবে গরুর লেজের মত চাবুক যার দ্বারা তারা লোকদেরকে প্রহার করবে। আর দ্বিতীয় শ্রেণী হল সে নারীর দল, যারা কাপড় পরিধান করবে কিন্তু তবুও তারা উলঙ্গ অবস্থায় থাকবে, নিজেরা অন্যদের প্রতি আকৃষ্ট এবং অন্যদেরকেও তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে, যাদের মস্তক (খোঁপা বাধার কারণে) উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ বহু দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।”  (মুসলিম শরীফ )

.

৬.রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের বাহিরে দেখতে পান যে, নারীরা রাস্তায় পুরুষের সাথে মিশে গেছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের বলেন, তোমরা অপেক্ষা কর, কারণ, তোমাদের জন্য রাস্তার মাঝে হাটা উচিত নয়, তোমাদের জন্য হল রাস্তার পাশ। এ কথা শোনে নারী দেয়াল ঘেঁসে হাটা শুরু করে তখন দেখা গেল তাদের অনেকের কাপড় দেয়ালের সাথে মিশে যেত। (আবু দাউদ শরীফ ৫২৭২)

.

৭.কোন মহিলা যেন মাহরাম পুরুষ ছাড়া একাকিনী সফর না করে, তার নিকট যেন মাহরাম ছাড়া কোনো বেগানা পুরুষ প্রবেশ না করে, এ কথা শোনে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি অমুক অমুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য সৈন্য দলে নাম লিখিয়েছি অথচ আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন এখন আমি কি করব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উত্তর দিলেন তুমি তার সাথে বের হও। (বুখারী শরীফ ১৮৬২)

.

৮.নারী গোপন জিনিস, সুতরাং যখন সে(বাড়ি হতে) বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে রমণীয় করে দেখায়। (তিরমিযী শরীফ ১১৩৭)

৯.রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেছেন যে, “আমরা যেন মহিলাদের নিকট তাদের স্বামীদের বিনা অনুমতিতে গমন না করি।”  (তিরমিযী ২৭৭৯)

.

১০.প্রত্যেক চক্ষুই ব্যভিচারী। আর নারী যদি সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে পার হয়ে যায় তাহলে সে এক বেশ্যা। এমন কি এই অবস্থায় নামাযের জন্য যেতেও নিষিদ্ধ। 

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে মহিলা সেন্ট ব্যবহার করে মসজিদে যায়, সেই মহিলার গোসল না করা পর্যন্ত কোনো নামায কবুল হবে না।” 

®(সহীহ আল-জামে আস-সগীর আযযিয়াদাতুহ ২৭০)

.

১১.আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের কিছু অংশ লিপিবদ্ধ হয়েছে সে অবশ্যই তার মধ্যে লিপ্ত হবে। দুই চোখের ব্যভিচার হল দৃষ্টি, দুই কানের ব্যভিচার হল শ্রবণ, মুখের ব্যাভিচার হল কথা বলা, হাতের ব্যভিচার হল স্পর্শ করা এবং পায়ের ব্যভিচার হল খারাপ উদ্দেশ্যে অগ্রসর হওয়া। আর অন্তর আশা ও আকাঙ্ক্ষা করতে থাকে। লজ্জা স্থান তাকে বাস্তবায়ন করে অথবা মিথ্যায় পরিণত করে। (মুসলিম শরীফ ২৬৫৭)

.

১২.যে নারী স্বগৃহ, স্বামীগৃহ বা মায়ের বাড়ি ছাড়া অন্য স্থানে নিজের পর্দা রাখে (কাপড় খোলে) সে তার ও তার রবের মধ্যকার পর্দা ও লজ্জাশীলতাকে বিদীর্ণ করে দেয়। (তিরমিযী শরীফ ২৮০৩)

১৩.কোন নারীর উপর তোমার দৃষ্টি পড়লে তার প্রতি) বারবার দৃষ্টিপাত করো না। বরং নজর অতিসত্তর ফিরিয়ে নিও, কারণ, তোমার জন্য প্রথমবার ক্ষমা, দ্বিতীয়বার নয়। (আহমাদ শরীফ ১৩৬৯)

১৪.নারীদের বেশ ধারী পুরুষের উপর অভিশাপ এবং পুরুষদের বেশ ধারিণী নারীদের উপর আল্লাহর অভিশাপ। (ইবনে মাজাহ শরীফ ১৯০৪)

.

১৫.যে নারী তার মাথায় এমন চুল বাড়তি লাগায় যা তার মাথার নয়, সে তার মাথায় জালিয়াতি সংযোগ করে। (সহীহ আল-জামিউস সাগীর ২৭০৫)

কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,“যে ব্যক্তি মানুষকে হিদায়াতের দিকে ডাকে তার জন্য ঠিক ঐ পরিমাণ সাওয়াব রয়েছে,যে পরিমাণ পাবে তাকে অনুসরণকারীরা!! (সহীহ মুসলিম শরীফ)

.

আল্লাহ তায়ালা মা বোনদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন।


credit : main autor. this is a copy post. ইসলামিক জ্ঞান সম্প্রসারণের জন্য এই পোস্টটি কপি করে এখানে দেয়া হয়েছে>


Previous Post
Next Post

post written by:

0 Comments: